SEO Header Title

Home arrow Blog
¸‚–ͯ¾²˜Á¦Ç° ¨¾•¿ •¾¨Í¨¾ ¬¨¾® ¦°¿¦Í° ¸®ÍªÍ°¦¾ß
Written by Muhammad Akhtar Husain
সংখ্যালঘুদের নাকি কান্না বনাম দরিদ্র সম্প্রদায়--মুহাম্মাদ আখতার হুসাইন নিয়ত সংযোগে গল্পসূত্রঃএক ব্যক্তি পরিত্যক্ত জিনিস বা কারো হারানো কোন কিছু না নেয়া বা না ধরার শিক্ষা পেয়েছে। কোন কিছু পেলে সেটাকে তার মূল মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেবার পূণ্যের কথাও সে জেনেছে। সেই শিক্ষার মূলমর্ম সবার কাছে প্রচারও করে থাকে। নিজেকে সেই নিয়মের খাঁটি শিষ্য বলেও মনে করে। মনে মনে কঠোর অনুশীলনও করে। তবে বাস্তবে কোন দিন পরিত্যক্ত বা কারো হারানো কোন কিছু পায়নি।  ঐ ব্যাক্তি একদিন হাটের পাশে একটা মুরগী ঠ্যাং বাঁধা এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পেল। কেউ দেখতে পাচ্ছে কি না তা আঁড়চোখে দেখতে গিয়েই এক বৃদ্ধা ভিখারিনীর সাথে চোখাচোখি হয়ে গেল। বৃদ্ধা ভিখারিনীও মুরগীটা দেখেছিল কিন্তু ঐ লোকের মতো দ্রুত এসে তা দখল করতে পারেনি। কিছু করতে না পেরে বৃদ্ধা ভিখারিনী বিদ্যুতের খুঁটির মতো দাঁড়িয়ে থাকলো। ভিখারিনী নড়েনা, সেও ব্যাগে মুরগীটা ভরেনা। হাট ভাঙ্গে ভাঙ্গে অবস্থা। লোকজন নেই বললেই চলে। উপায়ান্তর না পেয়ে লোকটি মুরগীটা নিয়ে হাটের একটি উঁচু আর খোলা জায়গায় দাঁড়ালো। মুরগী কার, মুরগী কার বলে ডাকাডাকি শুরু করলো। তবে মুরগী শব্দটা খুব জোরে জোরে এবং কার শব্দটা এতোই আস্তে আস্তে বলছিল যে তা সে নিজেই হয়তো শুনতে পারছিলনা। অনেকে মুরগীকে মুরগী, মুরগী বলে ডাকাডাকির বিষয়টাকে পাগলামী বলে হেঁসে উড়িয়ে দিল। বৃদ্ধা ভিখারিনী বিষয়টা বুঝতে পেরে রণে ভংগ দিল। চালাক লোকটি বৈধভাবে মুরগীটা হজম করার উদ্দেশ্য সফল করলো। বাস্তব প্রয়োগে প্রাসঙ্গিক গল্পসূত্রঃবাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে কিছু লোক কিছু দিন প্রচণ্ড ফালাফালিকান্নাকাটি  করেছে। এখন তার অনেকটাই কমে এসেছে। তেমন একটা জনসমর্থন পাওয়া যায়নি। সংস্কারের দাবীতেও কিছু লোক কিছু দিন প্রচণ্ড ফালাফালিকান্নাকাটি  করেছে। তেমন একটা জনসমর্থন তখন পাওয়া যায়নি। এখন তার অনেকটাই কমে এসেছে। খালিদা ভাবী এবং হাসিনা আপার মুক্তির দাবীতে প্রায় বছর খানেক ধরে সুবিধাভোগীরা আন্দোলনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এত বড় ইস্যু অথচ জনসমর্থন না থাকার কারণ কী? কারণ, জনসমর্থন নেই।  বাঘ, সিংহ, হায়েনা, শিয়াল যতোই শক্তিশালী হোক অন্যান্য প্রাণীরা পূর্বাপর ব্যবহার এবং আচরণের কারণে তাদেরকে মনে প্রাণে ঘৃণা করে। তুলনামূলকভাবে একটা বনে বাঘ, সিংহ, হায়েনা, শিয়াল বা এ ধরণের মাংসাশী প্রাণীর সংখ্যা হাতে গোনা বা তারা সংখ্যালঘু। বনের অন্যান্য সকল প্রাণী চিরদিনই এই সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে জর্জিত হয়। বাঘ যদি হরিণের কাছে এসে সিংহের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ করে তবে হরিণের কাছে তার সমাধান কী? চরিত্রগুণে একদিন বাঘে সিংহে মিলে যাবে আর হরিণ যাবে ঐ বাঘ আর সিংহের পেটে। এমতাবস্থায়, বাঘ বা সিংহ যতো বেশী দিন বন্দি থাকে হরিণের জন্য ততো বেশী মঙ্গলজনক। হরিণ তার সামান্য জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে তা বুঝতে পারে বলেই নিজের, নিজের সন্তানের এবং বনের নিরাপত্তার স্বার্থে বাঘ বা সিংহের মুক্তির ব্যপারে সমর্থন দিতে পারেনা। খাঁটি প্রাসঙ্গিক গল্পসূত্রঃএবার আসা যাক ধর্মীয় সংখালঘুদের প্রসঙ্গে।বাংলাদেশে বসবাস করা হিন্দু, বৌদ্ধ, বা অন্যান্য ধর্মাবলম্বী বিশ্বের সবার চাইতে ভালো অবস্থায় আছে। দুই একটা ব্যতিক্রম যা ঘটেছে তেমনটি মুসলমানের ক্ষেত্রেও ঘটেছে এমনকি মুসলমানের ক্ষেত্রে অনেক বেশী কিছু ঘটেছে।বাংলাদেশের মানুষ কাউকে হিন্দু, কাউকে বৌদ্ধ এমনটা পরিচয়ে কখনো দেখেনি বা বলেনি। সবাই সবাইকে মানুষ বলেই জানে।কিন্তু কিছু কিছু দুষ্ট লোক তাদের নিজেদের ব্যবসায়ের আয় বাড়ানোর জন্য মাঝে মধ্যে সংখ্যালঘু, সংখ্যালঘু ধূয়া তোলে আর পরিবেশটাকে বিষাক্ত আর ঘোলাটে করে সেই বিষাক্ত আর ঘোলা জলে নিজেদের পছন্দ মতো মাছ শিকার করে দেশ ও দশের চরম ক্ষতি করে। বিশ্ব সভ্যতায় বাংলাদেশের রয়েছে হাজার বছরে ঐতিহ্য। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে শান্তিপূর্ণভাবে হাজার বছর ধরেঙ্গেই মাটিতে বসবাস করে আসছে। তিন ফসলী জমির এই দেশে যা ফলে তা দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ সোনা ক্রয় করা যায়। বাংলাদেশ এমনই একটা দেশ যেখানে ছয়টি ঋতু পরিষ্কারভাবে দেখা যায়, বুঝা যায় এবং অনুভব করা যায়। এ দেশটার মতো ভালো দেশ পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই। বাংলাদেশ এমনই একটা দেশ যে কোনদিন কোনভাবে অন্য দেশকে আক্রমন করেনি।ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার প্রভাব আসার আগে বাংলাদেশে হাজার বছর ধরে স্বর্গীয় সুষমা ছিল।  কোন মুসলমান শাষক হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপর জোর-জবরদস্তী করেনি। বৌদ্ধদের বিনাশের জন্য মুসলমান দায়ী নয় বরং কে বা কারা দায়ী তা বৌদ্ধরা ভালো করেই জানে। এক জনের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো হয়েছে মাত্র। এখানে হাতে গোনা কয়েকজন খ্রীস্টান মিশনারী অভাবের সুযোগ নিয়ে ভাত-কাপড়-ঔষধের বিনিময়ে দরিদ্র জনগোষ্টীকে ধর্মান্তরিত করেব্যবসায় করে নিজেদের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে আরো স্ফীত করে। তারা কিন্তু সংখালঘু। বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকটা এন জি ও বিদেশী পুঁজির আড়ালে ধীরে ধীরে দেশ এবং অর্থনীতিকে গিলে খাচ্ছে। তারা কিন্তু সংখ্যালঘু। বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকজন দলীয় নেতা বিদেশী পুঁজির দালালীর আড়ালে ধীরে ধীরে দেশ এবং অর্থনীতিকে বিদেশের হাতে তুলে দিচ্ছে। তারা কিন্তু সংখ্যালঘু। বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকজন আমলা-কর্মচারী নিজেদের ভোগ-বিলাসের নিমিত্তে দুর্নীতি করে ধীরে ধীরে দেশ এবং অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। তারা কিন্তু সংখ্যালঘু। বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকজন ধর্মান্ধ নিজেদের ধর্মীয় ব্যবসায়ের নিমিত্তে ধর্মের নামে জঙ্গীবাদী করে ধীরে ধীরে দেশ এবং মানুষের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করেছে।। তারা কিন্তু সংখ্যালঘু। বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু ব্যক্তি নিজেদের ভোগ-বিলাসের নিমিত্তে দুর্নীতি করে প্রচুর অর্থকড়ি কামিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। তারা কিন্তু সংখ্যালঘু। বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু ব্যক্তি চুরি-ডাকাতি বা খুন-খারাবী করে প্রচুর অর্থকড়ি কামিয়ে আইনকে ফাঁকি কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যাণ্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছে। তারাও কিন্তু হাতে গোনা সংখ্যালঘু। শেষ কথাঃএই বিদেশে পাড়ি জমানো কিছু ব্যক্তি সংখ্যালঘু, সংখ্যালঘু বুলি আউড়িয়ে যাচ্ছে অনেক দিন ধরে।আসলে, ইমিগ্রেশনের ব্যবসায়ের জন্য সংখ্যালঘু ইস্যু তৈরি করা হয়।এরা মাঝে মধ্যেই ঘটা করে অনুষ্ঠান করে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে বদনাম ছড়ায়। এরা বাংলার সোনার সন্তান বলে মনে করে। প্রচারের ক্ষেত্রে এরা নামেও যেমন সোনা আর নিজেদের আখের গোছানোর কামেও সোনা। এই ময়লা ধরা সোনা গুলোকে সেঁকড়ার দোকানে তাঁতিয়ে খাঁটি এবং ঝকঝকে করা যায় কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে। কেবলমাত্র নিজেদের ইমিগ্রাশনের ব্যবসায় আর স্বার্থের জন্য এরা দেশ ও জাতির সুনাম জলাঞ্জলি দিয়ে সংখ্যালঘু, সংখ্যালঘু বলে। একটা দেশের মান-সুনামের জলাঞ্জলি দিয়ে যারা ইমিগ্রেশনের ব্যবসায় করে তারা ইতরপ্রাণী ছাড়া আর কী?  বাংলাদেশে এরা যতোটা বাকস্বাধীনতা ভোগ করে তার ছিটে ফোটাও কিন্তু এই কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যাণ্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় ভোগ করতে পারেনা। কথায় আর বক্তৃতায় কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যাণ্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় বসে কঠোর সংযমী হলেও বাংলাদেশের ব্যাপারে কথায় আর বক্তৃতায় তারা চরম অসংযমের পরিচয় দেয়।একবারও চিন্তা করে না যে, তাদের এই মিথ্যাচারে দেশ আর দশের কী পরিণতি হতে পারে! আমরা যারা নিরীহ প্রাণী, গা-গতর খাটিয়ে, মাথার ঘাম পায়ে ঝড়িয়ে কাজ করে খাই তারা কতোটা বিপদে পড়তে পারি! তারা একবারও চিন্তা করে না যে, এদেশের মানুষ আমাদের সম্বন্ধে বা আমাদের দেশ সম্বন্ধে কী ধারণা নিতে পারে।তাদের অনেকেই দেশ থেকে মেরে কেটে অনেক মাল পানি নিয়ে এসে এখানে বাড়ি-গাড়ি করে দেশেরই বিরুদ্ধে বদনাম করছে। অনেক দাগী অপরাধী পালিয়ে এসে উদ্বাস্তু বা রেফিউজি সেজে এদেশের সরকারী ভাতা খাচ্ছে আর বাংলাদেশের বদনাম করছে।অনেকেই এখানেও প্রতারণার মাধ্যমে প্রচুর ডলার কামিয়ে হালাল মাংসের দোকানের সন্ধান করছে। এখানেও এরা সংখ্যালঘু। পরিশেষের গল্পটা এমনঃ একজন ভালো লোকের ভালো গুণাবলীর প্রভাবে এক দুষ্ট লোক হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরছিল। দিন দিন সেই দুষ্ট লোকটার আশে পাশের জনসংখ্যা কমে আসছিল। ভালো মানুষটাকে কেমন করে ঘায়েল করা যায় তার চিন্তায় ঐ দুষ্টের ঘুম হারাম হয়ে যাবার অবস্থা। একদিন সে তার সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে ভালো লোকের সামনে উপস্থিত হলো। তার হাতের মুঠোয় ছিল একটা ক্ষুদ্র পাখী। ভালো মানুষটা সামনে আসার সাথে সাথে সে বলে উঠলো, আজ তোমার সাধুগীরি দেখবো। ঠিক ঠিক বলতে হবে যে, আমার হাতের মুঠোয় রাখা পাখীটা জীবিত নাকি মৃত। দুষ্টের মাথায় পরিকল্পনা ছিল, সাধু যদি বলে যে পাখীটা জীবিত তবে তখন তখনই সে হাতের মুঠো দিয়ে চেপে পাখীটাকে মেরে ফেলবে। আর, সাধু যদি বলে যে পাখীটা জীবিত তবে তখন তখনই সে হাতের মুঠো থেকে পাখীটাকে উড়িয়ে দেবে।এর মাধ্যমে সাধুকে হেনস্তাও করা যাবে সেই সাথে সাধুর অলৌকিক ক্ষমতার বারোটাও বাজবে। সাধু ঐ পামরটার চরিত্রের খবর আগে থেকেই জানতো। সাধু লোকটি বললেন, পাখীটা জীবিত না মৃত সেটা তোর নিয়তের উপর নির্ভর করে।--ধন্যবাদ erpcollege@gmail.com 


Write Comment
  • Please keep the topic of messages relevant to the subject of the article.
  • Personal verbal attacks will be deleted.
  • Please don't use comments to plug your web site. Such material will be removed.
  • Just ensure to *Refresh* your browser for a new security code to be displayed prior to clicking on the 'Send' button.
  • Keep in mind that the above process only applies if you simply entered the wrong security code.
Name:
E-mail
Homepage
Title:
BBCode:Web AddressEmail AddressBold TextItalic TextUnderlined TextQuoteCodeOpen ListList ItemClose List
Comment:



Code:* Code

Comments
Written by ocena on 2008-05-02 12:30:06 IP: 193.188.105.235
donnobad
Written by SUNEY on 2008-07-03 13:00:03 IP: 118.127.205.60
Donno bad apnake emon sundor lekha poribesoner jonno

Powered by Amaderadda.com!

[ Back ]

User Login Form