আমার ঘুম, আমার সান্তি আমাকে ফিরিয়ে দাউ আমার প্রেম, আমার ভালবাসা আমাকে ফিরিয়ে দাউ আমি যতটুকু নিদ্রাহীন হয়েছি আমার মনের সান্তি যতটুকু হারিয়েছি সবটুকু আমার ফিরিয়ে দাউ এক মন আর দুঃখ কত এই প্রেম চারা আছে দুঃখ কত প্রেমের পরিক্ষা তুমি আর নিয়না দোহাই তোমার এই জীবনটাকে আর মেরো না সপন যতটুকু আমি দেখেছি যতটুকু ইয়াদ তোমায় করেছি সে সপন সে ইয়াদ আমার ফিরিয়ে দাউ
আইউব বাচ্চুর একটি গান এই রুপালী রাত তারার মেলায় উকি দেয়া মেঘের ভেলায়, উদাসী মন শুধু হারায় মন প্রীয়জন অনৃভবে অপার নিভীর এক বাঁধনের বন্যায় উড়ে আসে আমারই আসায়, কত দিন দেখেনি দুচোখ নির্ঘোম চোখ বন্ধু তোমায়, তুমি কি এমন সময় তাকিয়ে আকাশ ভাবছ আমায়, এই রাত এমন রাত এখানে সব বলা যায়, খুলে দাউ মনের দার দেখ আছি পাশে তোমার, ভাললাগা সব নিয়ে সাদা মেঘ উড়ে যায়, তুমি পাবে চোঁয়া আমার পাটালাম যা তোমায় কত দিন দেখেনি দুচোখ নির্ঘোম চোখ বন্ধু তোমায়///
জানি তুমি ও গুমাতে পারনি, আমি ও গুমাইনি সেই দিন রাতে, সামান্ন কি কথা নিয়ে যে, অভিমান করেছিলে আমার সাথে, একটু সহজ হতে ছিল না ত দোষ, কি এমন দোষ হত করলে আপোষ? যদি দুজনে ভুলে যেতাম সব অভিমান, কি এমন ক্ষতি ছিল বল তাতে ? এতো সেই দিন তুমি হাতে নিয়ে ফুল, বলেছিলে কোন দিন বোঝনা গো ভুল, যদি দুজনে পিরে পেতাম সেই মধু ক্ষন, কি এমন ক্ষতি ছিল বল তাতে? (এটা গানের কথা, শিল্পীর নাম মনে নাই, আর কথা গুলো ভাল লেগেছে তাই লিখলাম)
শরীরটা ভালনেই মনির ভাই, শরীর ভালনেই তাই মনটাও, আর মন ভাল না থাকলে ভাললাগেনা কোন কিছুই করতে, এমন কি ভাবনার ডানাও যেন যায় ভেঙ্গে, শুধু মুখ থুবরে পরে থাকে অবসন্ন শরীর , তবুও মনে পরে সেই সাগর দিঘির পার , দেবদারু বনের ছায়ায় বসে বলা যৌবন উচ্ছলতার কত কথা, কত গান অথবা দেবদারু গাছের বন ঘেষে পরে থাকা পল্লী মন , প্রথম প্রেমের কথায় আর উচ্ছল হাসিতে কেবল ভাঙ্গত নিরবতা, মনে পরে তোমার সাবধানতার বাণী “প্রেম করচিস কর বাস্থব জীবন থেকে চিঠকে পরিসনা যেন " তখন বুঝিনি তোমার সেই মর্ম বাণী, অথছ চিরদিনই বাস্থব আর অবাস্থব দুই আমার কাছে সাভাবিক গঠনা বলে মনে হয়, কেননা যা গঠবার তা গঠবেই এটাইতো নিয়ম, তবুও কিছু বোঝা আর না বোঝার মাঝে যখন নিজেকে বোঝতে শিখেছি, তখন থেকে বয়স বেরেছে, শরীরে অসুখ বেধেছে বাসা, তাই শরীরটা ভাল নেই মনির ভাই, আর শরীর ভালনেই তাই মনটাও, মনির ভাই কেন জানিনা তোমাকে বিষন মনে পড়ছে, তোমাকে সম্মুকে না পেলেও ডানা বাঙ্গা ভাবনার পাখায় শান্ত প্রায়, তবুও অবান্তর কত কিছু ভাবতে ইচ্ছে হচ্ছে তোমাকে নিয়ে, কিন্তু শরীর থেকে মন আর মন থেকে উচ্ছারিত ভাললাগা ভাবনা এখন থমকে দাড়িয়ে বাস্তবতার মোখমুখি, তবুও বেচেঁ আছি, আর বেচেঁ আছি বলেই বেচেঁ আছে আমার বিগত স্মৃতি, যেখানে তুমি আজও জাগ্ররত, জাগ্ররত সেই সাগর দিঘির পার, সবুজ দেবদারু বনের শীতল ছায়া, হঠাৎ এখন মনের কুঠায় আলাদা হয়ে উঠে বার বার, মনির ভাই জানিনা এখন তুমি কোথায়, তবুও পার যদি কোন অসীম থেকে মর্ম বাণী দিয় , দোয়া দিয় আমার সুস্থ শরীরের, আর বার বার কামনাকো আমার উচ্ছল পল্লীমন যেন সবুজ থাকে, দেবদারু বনের মতই চির সবুজ………………………. (বানান যদি ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা করবেন , আসা করি হয়তো আপনাদের ভাল লাগবে)
এ সময়টা এমনি মনে হয়, সমস্থ প্রকৃতি ঠিক যেন তোমার সান্তমোখ আর ভিকটরিয়ার গদ্ধময়তায় এক বসন্ত হয়ে বারে বারে ঝুরিয়ে যায় আমার প্রতিকৃত তপ্ত হৃদয়, মনের অনেক গভীরে অনুভূতি তখন উনমুখ হয় আকন্ট সুখ কামনায়, চারিদিকে মিষ্টি গন্ধ ভরা বাতাস ক্ষনে ক্ষনে চূয়ে যায় সারা শরীর ও মন, বাংলার বাতাস এই বসন্তের মাদকতায় মনে হয় এ ভাললাগা লেগে থাকুক সারা শরীরও মন জুড়ে সারাক্ষন, বসন্ত যেন বদীপের বাংলা, যেন বাঙালী বধূ অথবা বন্ধু এবং তামাম বসুন্ধরার বল্লরীবহর, এ বসন্ত তাই একানে ই সাঝে, এই বসন্ত তাই তোমার মত বন্ধানিয়া বধূ অথবা বনলতাসেনের দেশে ই সাঝে, যেখানে তার উপস্থিতি পুলক জাগায়.
কি হত যদি বলতে চরম সথ্য কথাটা, তুমি কাঁদাবে অথবা কাঁদবে বলেই বার বার উপেক্ষা করে ছিলে আমার অনুরুধ , বার বার গলে গেছে মোমবাতির আধার, নরম আলোয় তোমার মুখ চেয়ে, তুমি ফিরে যাউনি আধারের কাছে মুখ লোকাতে, ফিরেও আসনি আমার অনুরুদ রক্ষা করতে, কি হত জীবনে এমন কিছু রাত না এলে, পাশে পুটপুটে চাদেঁর মত মেয়ে, সেথানে দুধের ফিটার শুকনো কাথার গন্ধ, গন্ধ তোমার চুলের, গন্ধ তোমার সারা শরীরের, এতো সুখের পরিবেশ তবুও ভাল লাগছেনা, কিছুক্ষন আগে বিষন কেঁদেছ তুমি, কপলে কান্নার দাগ ভেসে উঠে মৃদ আলোয়, জ্বলে যায় বুকের ভিতর, বিদ্রহ করে কামনার অনুভুতি, এ শুধু তুমি অনুরুদ রক্ষা করনি বলে, বাইরে বিষন বৃষ্টি মৃদু আলোয় দেখি মুন্ডুহীন তালগাছের গা ঘেষে নেমে যায় পানির ধারা, ক্রমে ভরে উটে শুক্ন পুকুর, অথচ চোখ ভাসেনা পানিতে, আমার কান্না নেই, কান্না আসছেনা, ভেতরে শুনি বৃষ্টি আর মেঘের শব্দ, কত পানি জমে আছে তবুও ভাসছেনা বুকের জমিন, ভাসছেনা ভালবাসার মিষ্টি রং, এ শুধু তুমি অনুরুদ রক্ষা করনি বলে, কি হত যদি অনুরুদ রাখতে অথবা উপেক্ষা করতে তোমার পরিচিত সময়, আমাকে গুপনে অবহেলার জন্য শেষ বারের মত, বরং সেই ত হত তোমার বিজয় আর আমি পরাজিত থাকতাম তোমার প্রেমের কাছে আজীবন;;;;;;;;;;;;;;
শরীরটা ভালনেই মনির ভাই, শরীর ভালনেই তাই মনটাও, আর মন ভাল না থাকলে ভাললাগেনা কোন কিছুই করতে, এমন কি ভাবনার ডানাও যেন যায় ভেঙ্গে, শুধু মুখ থুবরে পরে থাকে অবসন্ন শরীর , তবুও মনে পরে সেই সাগর দিঘির পার , দেবদারু বনের ছায়ায় বসে বলা যৌবন উচ্ছলতার কত কথা, কত গান অথবা দেবদারু গাছের বন ঘেষে পরে থাকা পল্লী মন , প্রথম প্রেমের কথায় আর উচ্ছল হাসিতে কেবল ভাঙ্গত নিরবতা, মনে পরে তোমার সাবধানতার বাণী “প্রেম করচিস কর বাস্থব জীবন থেকে চিঠকে পরিসনা যেন " তখন বুঝিনি তোমার সেই মর্ম বাণী, অথছ চিরদিনই বাস্থব আর অবাস্থব দুই আমার কাছে সাভাবিক গঠনা বলে মনে হয়, কেননা যা গঠবার তা গঠবেই এটাইতো নিয়ম, তবুও কিছু বোঝা আর না বোঝার মাঝে যখন নিজেকে বোঝতে শিখেছি, তখন থেকে বয়স বেরেছে, শরীরে অসুখ বেধেছে বাসা, তাই শরীরটা ভাল নেই মনির ভাই, আর শরীর ভালনেই তাই মনটাও, মনির ভাই কেন জানিনা তোমাকে বিষন মনে পড়ছে, তোমাকে সম্মুকে না পেলেও ডানা বাঙ্গা ভাবনার পাখায় শান্ত প্রায়, তবুও অবান্তর কত কিছু ভাবতে ইচ্ছে হচ্ছে তোমাকে নিয়ে, কিন্তু শরীর থেকে মন আর মন থেকে উচ্ছারিত ভাললাগা ভাবনা এখন থমকে দাড়িয়ে বাস্তবতার মোখমুখি, তবুও বেচেঁ আছি, আর বেচেঁ আছি বলেই বেচেঁ আছে আমার বিগত স্মৃতি, যেখানে তুমি আজও জাগ্ররত, জাগ্ররত সেই সাগর দিঘির পার, সবুজ দেবদারু বনের শীতল ছায়া, হঠাৎ এখন মনের কুঠায় আলাদা হয়ে উঠে বার বার, মনির ভাই জানিনা এখন তুমি কোথায়, তবুও পার যদি কোন অসীম থেকে মর্ম বাণী দিয় , দোয়া দিয় আমার সুস্থ শরীরের, আর বার বার কামনাকো আমার উচ্ছল পল্লীমন যেন সবুজ থাকে, দেবদারু বনের মতই চির সবুজ………………………. (বানান যদি ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা করবেন , আসা করি হয়তো আপনাদের ভাল লাগবে)
মৃত্যুর মোখমুকি আমি হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে, শক্ত হয়ে দাড়াতে চেয়েছি আমি বার বার অথচ পারিনি, তবে এতটুকু বুঝেছি মানুষ দাড়াতে চায় কেন! দাড়ানো শিখতে চায় কেন! অথবা নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাড়াও দাড়াও বলে কেউ সাহসী হতে বলে কেন! আসলে মৃত্যুর মোখমুকি হয়ে পাঞ্জা লরতে মেরুদন্ড সোজা করে শক্ত করে দাড়াতে হয়, আমি যখন দাড়াতে চেয়েও দাড়াতে পারছিলামনা, তখন ক্ষনে ক্ষনে অনুভব করেছি হাসপাতালে শায়িত অবস্থায় আমার মৃতুকে আর ভেতরে ভেতরে দেখেছি সাহস কেমন ক্ষয়ে ক্ষয়ে মিলিয়ে যায়, বাহির থেকে নিজেকে শক্ত করে রাকতে চাইলেও সম্মুখে কারও অভাব যেন মৃত্যুকে আরো মোখমুকি করে, তখন আপনজনকে কাছে পেতে বড্ড ইচ্ছে করে, তাইতো বুঝেছি মানুষ কেন হাসপাতালে শায়িত আপনজনকে দেখতে যায়, নিয়ে যায় ফুল, ফল আর অলক্ষে কিছু সাহস মৃত্যুর সম্মুকে দাড়াতে, হাসপাতালে এমন কতজনার কত মৃত্যু আসা যাওয়া করে অথবা ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় কত সাহস ভেতরে ভেতরে প্রতিনিয়ত, তবুও বলবো অনেক কাজের ভিরেও পার যদি দেখে এসো শায়িত আপনজনকে, অলক্ষে কিছু সাহস যোগাতে, অথবা আগামীতে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার কিছু সাহস সঞ্চয় করতে……………………………….........
আপনাকে আমার বড় বেশি পরিচিত লাগাছে, মঝে মধ্যে এমন পরিস্থিতির মোখমোখি হতে হয় নিউ মার্কেটে, পার্কে, মেলায় অথবা কোন চক্রযানে কিংবা ফেরিতে, এইতো সেই দিন ফেরিতে এক অপরিচিত মেয়েকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে দেখে দৃষ্টি নদীর ফেলে আসা পথের দিকে থুলে ধরে ভাবছিলাম আজও কি আমি পরিচিত হবো কারো! এমন সময় পেচন থেকে মহিলা কন্টসর ভেসে এলো “ক্ষমা করবেন আপনি কি দেয়ানজি পুকুরলেনের দত্ত বাবু,, মাপকরবে আপনি হয়ত ভুল করছেন, ততক্ষণে আপরা রেলিং ধরে বেশ কাছাকাছি দাড়ানো এবং চোপ, আমি ফিরে যাবো কি না ভাবতেই বিনীত কন্ট ভেসে এলো “ মনে কিছু নেবেননা আপনি দেখতে টিক তারই মত অবাক করা মিল, মন এমন সুন্দরি নারীর সঙ্গ পেতে সারা দিলেও বাহিরে তার প্রকাশ ভাবহীন দৃষ্টিতে মিলিয়ে যায়, নদীর পরিচিত পরিবেশে হারিয়ে যেতে থাকলেও রঙ্গীন পালতুলা নৌকার ঘুলো ধরে দূরে কোথাও শুন্যের ভেতর, তবে কোন ঘড় বাঁধার সপনে সূধ্য অপরিচিতার মনে নদীর মতই সূধ্য কোন চর জেগে ছিল কিনা জানিনা হঠাৎ প্রশ্ন করে জানতে চাইলো “ আ…আপনি কি বিবাহিত, অপ্রত্থাসিত প্রশ্ন মনের ভেতর হুচট খেলেও কোন চলনা না করেই বললাম, অবশ্যই এবং আমার ২টো সন্থানও আছে আমি খুব সুখি, কৌশলে এতো গুলো কথা জানিয়ে দিয়ে ভাবলাম এবার হয়তো চুটি পাব কেননা এমন বিবাহিত পুরুষের আবেদন মুহুর্তে কমে যায় সুন্দরী অবিবাহিতা নারির কাছে, অথচ আমাকে অবাক করে দিয়ে অবলিলায় বললো “এইযে আমার ঠিকানা আপনার ঠিকানাটা আমাকে দেবেন ,সত্য কথা বলতে কি এমন স্পষ্ট করে বলার মত পুরুষ অনেক দিন পর দেখলাম, এমন করে কেউ বলেনা,, যেন আমি মুহুর্তে হারিয়ে গেলাম জীবনের পথ চলতে গতদিনের এই ছাইদা, রোখসানা, মিলি,লাইজু, হেপি নীলা আরো কথ রমনিদের উপেক্ষতি ঠিকানার ভিরে, তার সাথে আজ বোধকরি যোগ হল আরো এক ঠিকানা- মিস শিউলি, ভেরা , পাবনা, বাংলাদেশ……………………..
আইউব বাচ্চুর একটি গান আসা করি ভাললাগবে সবার এই রুপালী রাত তারার মেলায় উকি দেয়া মেঘের ভেলায়, উদাসী মন শুধু হারায় মন প্রীয়জন অনৃভবে অপার নিভীর এক বাঁধনের বন্যায় উড়ে আসে আমারই আসায়, কত দিন দেখেনি দুচোখ র্নিগোম চোখ বন্ধু তোমায়, তুমি কি এমন সময় তাকিয়ে আকাশ ভাবছ আমায়, এই রাত এমন রাত এখানে সব বলা যায়, খুলে দাউ মনের দার দেখ আছি পাশে তোমার, ভাললাগা সব নিয়ে সাদা মেঘ উড়ে যায়, তুমি পাবে চোঁয়া আমার পাটালাম যা তোমায় কত দিন দেখিনি দুচোখ নির্ঘোমচোখ বন্ধু তোমায়///
আজ প্রায় এক যুগ আমা হতে তুমি দূরে আশায বসে আছি তুমি একদিন আসবে ফিরে, বেদনার কালো মেঘে ঢেকে গেছে আমার পৃথিবী সব কিছু ভুলে গেলেও ভুলতে পারিনি তোমার ছবি, আজ প্রায় এক যুগ আমা হতে তুমি দূরে এবুকে কত ঝড় বয়ে গেছে তবু তোমায় রেখেছি আগের মত করে কত উত্থান, কত পতন, কত রদ, কত বদল শুধু আমার পৃথিবী আগের মত সেই জায়গায় শীতল///
ami joler buke jol diye likhi tomake valobashi akasher buke likhi nil diye shagorer buke deu diye likhi tomake valobashi borshar buke likhi brishti diye koshter buke ami bedona diye likhi tomake valobashi kannar buke likhi onshru diye purnimar gaye ami josona diye likhi tomake valobashi omabosshar gaye likhi ondhokar diye ami chondro diye likhi rater buke tomake valobashi diner buke surjo ar ridoyer gaye prem diye likhi tomake valobashi……………! bhai shafique apnar eta ami formet kore delam asha kori jara porben valo lagbe valo thakben, bye
(Wednesday, 06 February 2008) Written by SALIM _UK
Ami ek nosto chele kosto amar boke kore boshobash, Ekputa shuk ney amar jibon zoore shudo thergoshas, Kew jane na kew buje na kar karone holo emon shorbonash, Protom premer kasha koresi nijeke shomorpon, Shey cholonar prem kere nilo shob kiso, Benge chore chor mar kore dilo moon, Har por amio bodle gesi, nije ke nije r korina bishas, Kew jane na kew buje na kar karone holo emon shorbonash///
aj notun ekta din cheye deko gulap guse futese gulap shurjota dichche jolanto alo balobasha charidike ase choreye asho tumi are ami notun shopno deki notun gor badi aj notun ekta din fule fule kota bolche guse guse gun guiche balobasha jabena kome tumi amar hoye jabe deere deere aj notun ekta din cheye deko gulap guse futese gulap shurjota dichche jolanto alo balobasha charidike ase choreye